চলছে গরমকাল। চলছে বাঙালির ফলের মৌসুম। মৌসুমি ফলগুলোর পাশাপাশি সবাই সফেদাও খেতে পারেন। কেননা সফেদা গরমেরই ফল এবং এর রয়েছে নানা রকম গুণ। তবে খাওয়ার আগে সফেদার গুণাগুণসহ বিস্তারিত উপকারী কিছু তথ্য জেনে নেওয়া উচিত। সফেদায় কী পাওয়া যাবে ০০ সম্পূর্ণ ফ্যাটযুক্ত একটি ফল সফেদা। মিষ্টি যাদের পছন্দ তারা সফেদা ট্রাই করতে পারেন। ক্যালরি বাড়ার [...]
জুন ২৩, ২০১০ /
১টি মন্তব্য /
বাকিটুকু পড়ুন
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার। তরমুজের নানান রকম উপকারিতা রয়েছে। এই ফলে শতকরা প্রায় ৯২ ভাগ পানি আছে। তাই তরমুজ খেলে সহজেই পানির তৃষ্ণা মেটে। তরমুজের বিশেষ কয়েক ধরনের অ্যামাইনো এসিড নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে রক্তের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালী বজায় রাখে। উচ্চরক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। তরমুজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে। এতে বিটা ক্যারোটিনের [...]
মে ২০, ২০১০
» বাকিটুকু পড়ুন
দইয়ের গুণাবলী ডেজার্ট কিংবা নর্মাল খাবার হিসেবে দইয়ের তুলনা নেই। চলুন জেনে নেই দইয়ের গুনাগুণ। ০০ দইয়ের ল্যাক্টোব্যাসিলাস ব্যাক্টেরিয়া কোলনের ব্যাকটেরিয়াগুলোকে উদ্দীপিত করে ফলে পেট পরিষ্কার থাকে। ০০ দইয়ের ব্যাক্টেরিয়া শরীরে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স গ্রহণ করতে সাহায্য করে। ভিটামিন বি১২ রক্তকোষের গঠনে সাহায্য করে। দই ‘এ’ ভিটামিন তৈরিতে সাহায্য করে। ০০ দইয়ের উপাদান ভাল [...]
মে ১০, ২০১০
» বাকিটুকু পড়ুন

রান্নার উপকরন হিসেবে রসুনের ব্যবহার আবহমান কাল থেকেই। শুধু রান্নায় স্বাদের তারতম্য আনার জন্য নয়, রসুনের পুষ্টিগুণও রসুনকে পৌঁছে দিয়েছে উপাদেয় মসলার তালিকায়। তাই রান্নার অনুষঙ্গের পাশাপাশি রসুন স্বাস্থ্য ভাল রাখার মন্ত্র হিসেবেও কাজ করছে। রসুনে রয়েছে ময়শ্চার, প্রোটিন, ফ্যাট, মিনারেল ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেট। ভিটামিন ও মিনারেলের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, থিয়ামিন, রিবোফ্লোভিন, ভিটামিন [...]
এপ্রিল ২৩, ২০১০
» বাকিটুকু পড়ুন
যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের জন্য মিষ্টি খাওয়া হারাম। যেকোনো রকম সুগারজাত খাদ্যদ্রব্য খাওয়ার নিষেধজালে আটকা পড়েন তারা। কিন্তু আমাদের দেশে অত্যন্ত সহজলভ্য একটি ফল পেঁপে, যা মিষ্টি হলেও ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারেন। এমন আরো নানা গুণ আছে দেশীয় এই ফলের। আসুন জেনে নেয়া যাক তেমনই কিছু গুণ- আমাদের দেশে নানারকম ফল পাওয়া যায়। তার মধ্যে [...]
ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০১০
» বাকিটুকু পড়ুন
ঝিঙা গ্রীষ্মকালীন সবজি। ঝিঙায় সব পুষ্টি উপাদানই সামান্য পরিমাণ আছে। তবে ভিটামিন ‘এ’ আছে প্রচুর। ক্যালসিয়ামের পরিমাণ শসা, করলা, মুলা ও আলুর চেয়ে সামান্য বেশি এবং বাকি সব শাকসবজির চেয়ে কম। আয়রনের পরিমাণ চিচিঙ্গা, টমেটো, শালগম ও ওলকপির চেয়ে সামান্য বেশি। ভিটামিন ‘এ’ এর পরিমাণ পালংশাক, কচুশাক, লালশাপ, পুইশাক, কলমিশাক, গাজর, ডাটাশাক, মুলাশাক, মিষ্টি কুমড়া, [...]
আগস্ট ১১, ২০০৯
» বাকিটুকু পড়ুন
অনেকের ধারণা ধুন্দুল পুষ্টিকর সবজি। ক্যালসিয়াম ছাড়া অন্যকোন পুষ্টি উপাদান উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নেই। ক্যালসিয়ামের পরিমাণ পেঁপে, ঝিঙা, কাঁচাপেঁপে, কাঁচা কলা ও করলার চেয়ে কিছু বেশি। ধুন্দুল আঁশ-যুক্ত সবজি হওয়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযোগী ধুন্দুল জলীয় অংশ ৯২ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৯ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.৬ মি.গ্রাম., শর্করা ৫.৯ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ২৩ কিলো ক্যালরি। তবে [...]
আগস্ট ১১, ২০০৯
» বাকিটুকু পড়ুন
প্রতিদিনের খাবারে সালাদ হিসেবেই শসার ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। তবে খাবারের সাথে অনুষঙ্গ হিসেবে শসার কদর বেশি হলেও পুষ্টিগুনের দিক দিয়ে শসা মোটেও পিছিয়ে নেই। শসার মূল উপকরণগুলোর মধ্যে ৮৩ শতাংশ কার্বন, ৬ শতাংশ ফ্যাট আর ১১ শতাংশ প্রোটিন। তবে এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট আর কোলেস্টরলের পরিমান খুব কম বলে এটি প্রায় সব ধরণের মানুষের জন্যই দারুণ [...]
জুলাই ১৩, ২০০৯
» বাকিটুকু পড়ুন
রেস্তোরায় যে মানুষ বেড়াতে কিংবা চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যায় না এটা সবাই জানেন। কাজেই রেস্তোরাঁয় খেতে বসেও যদি আপনাকে একগাদা আদবকেতা মেনে চলতে বলা হয় তাহলে অনেকে কিছুটা হলেও রেগে যেতে পারেন। তবে কথায় বলে, সব পরিবেশ আর পরিস্থিতিরই নাকি আলাদা একটা ‘চাল’ আছে। তাছাড়া একবার ভেবেই দেখুন না। আপনি খেতে বসেছেন কোনো চাইনিজ রেস্টুরেন্টে। [...]
জুলাই ১৩, ২০০৯
» বাকিটুকু পড়ুন
শসা ও ক্ষীরা সালাদ হিসেবে খাওয়া হয়। এতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ক্যালসিয়াম আছে। এর অধিকাংশই পানি। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে শসা ও ক্ষীরা বেশ ভূমিকা রাখে। শসাতে ভিটামিন বি‘ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আছে। তবে এই পুষ্টিমান শসা ও ক্ষীরার জাত, উৎপাদনের স্থান ও জলবায়ুর পরিবর্তনে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, জুন ২০, ২০০৯
জুন ২৯, ২০০৯
» বাকিটুকু পড়ুন
সাম্প্রতিক মন্তব্য